Home কমিউনিটি প্রস্তাবিত ইমিগ্রেশন হোয়াইট পেপার ২০২৫ ব্যাক্তি ও পরিবারের অধিকার ক্ষুন্ন করতে পারে...

প্রস্তাবিত ইমিগ্রেশন হোয়াইট পেপার ২০২৫ ব্যাক্তি ও পরিবারের অধিকার ক্ষুন্ন করতে পারে – এসবিবিএস আয়োজিত সেমিনারে অভিমত।

113
0

লন্ডন, ২৪জুন: যুক্তরাজ্য হোম অফিস কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত ইমিগ্রেশন হোয়াইট পেপার ২০২৫ প্রস্তাবমতো আইন হলে অভিবাসী কমিউনিটি, বিশেষায়িত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, তথা সার্বিক ব্যবস্থা হুমকিরমুখে পড়তে পারে; ক্ষুন্ন হতে পারে পরিবার, ব্যাক্তিগত তথ্য সুরক্ষা, ও প্রতিষ্টিত মানবাধিকার।  স্বাধীনবিচার ব্যবস্থা ও বিচারকরাও চাপেরমুখে পড়তে পারেন।  বিগত ২৪ জুন ২০২৫ পূর্ব লন্ডনের একটি হলে দ্যা সোসাইটি অব ব্রিটিশ বাংলাদেশী সলিসিটরস (এসবিবিএস) আয়োজিত বিশেষায়িত সেমিনারে বক্তাগণ এই অভিমত বেক্ত করেন। 

সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ পথ করেন ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা আইনজীবী কিংস কাউন্সিল ব্যারিস্টার মানজিৎ গিল। সংগঠনটির সভাপতি ও দ্য ল সোসাইটি অব ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস এর কাউন্সিল মেম্বার সলিসিটার মুহাম্মদ নুরুল গাফ্ফারের সভাপতিত্বে উক্ত সেমিনারে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন জাজ বেলায়েত হোসাইন।  বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্য ল সোসাইটি অব ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস এর ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেট ডিক্সন।  সলিসিটার মুনসাত হাবিবের সঞ্চালনে প্রশ্ন উত্তর পর্বে অংশ নেন ব্যারিস্টার মাসুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহ মেজবাউর রহমান, সলিসিটার আব্দুলহালিম, ফজলে এলাহী, সুহেল আহমেদ, ফেরদৌসী কবির প্রমুখ। 

সেমিনারে সম্প্রতি প্রস্তাবিত ইমিগ্রেশন শ্বেতপত্রের বিভিন্ন দিক এবং আইনজীবিদের এবং সম্প্রদায়ের উপর এর প্রভাব, আইনি গবেষণা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে AI-এর দায়িত্বশীল ব্যবহার, আইনি পেশাদারদের উৎস জিজ্ঞাসাবাদ এবং বর্তমান আইনের উপর নির্ভরতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। আলোচিত একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল 2013 এবং 2022 সালের বিধিবদ্ধ দলিলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ব্যাখ্যা, AI-উত্পাদিত তথ্যের সময়োপযোগীতা এবং নির্ভুলতা যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে।

মিঃ ডিক্সন AI-কে প্রতিস্থাপন হিসাবে নয় বরং একটি পরিপূরক গবেষণা হাতিয়ার হিসাবে কীভাবে দেখা উচিত সে সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ মন্তব্য ভাগ করে নেন। তিনি Google-এর Notebook LM-এর মতো প্ল্যাটফর্মের সম্ভাবনার উপর জোর দেন, যা প্রাসঙ্গিক নোট এবং যাচাইকৃত উৎসের লিঙ্ক প্রদান করে – আইনজীবীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যাদের বাস্তবে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের উপর নির্ভর করতে হয়।

প্যানেলিস্টরা একমত হন যে AI দ্বারা সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলি প্রযুক্তির অন্তর্নিহিত ত্রুটি নয়, বরং প্রায়শই ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন থেকে উদ্ভূত হয়। ইভেন্টটি আইনজীবি পেশাদারদের একটি শক্তিশালী নৈতিক এবং পদ্ধতিগত কাঠামোর মধ্যে AI-কে গবেষণা সহকারী হিসাবে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিল। এর ব্যবহারে সলিসিটারদের  সতর্ক হওয়ার পরামশ দেয়াহয়। 

এই সেমিনারটি আইনি পেশা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির মধ্যে তথ্যবহুল সংলাপ প্রচারের ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়, যা উদ্ভাবন, স্বচ্ছতা এবং পেশাদার সততার প্রতি ল সোসাইটির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

পড়ুনঃ  লন্ডনে প্রথম সিলেট নির্মাণ স্কুল ক্রিকেট লেজেন্ডস ট্রফি ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here