
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক ইসলাম ও ইসলামী রাজনৈতিক দলের উদ্ভব, বিকাশ ও প্রভাব আধুনিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবসময়ই আলোচনার বিষয়। ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতি অনুসরণকারী দলগুলো কেবল ধর্মীয় সংগঠন নয়, বরং তারা সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে এই দলগুলোর প্রভাব বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন রকমের। কখনও তারা নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী, কখনও আবার সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও দমন-পীড়নের মুখে সীমিত কার্যক্রম পরিচালনা করে। রাজনৈতিক ইসলামের চিত্র বোঝার জন্য শুধুমাত্র নির্বাচনী ফলাফল বা আইনগত কাঠামো নয়, বরং সামাজিক সমর্থন, রাষ্ট্রীয় নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ঐতিহ্যগত ও আধুনিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোকে সমন্বিতভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। এই প্রবন্ধে আমি উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশের রাজনৈতিক ইসলাম এবং ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর বর্তমান অবস্থা, তাদের প্রভাব এবং রাষ্ট্র ও সমাজের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের চিত্র বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি।
১৯৬০-এর দশক থেকে শুরু করে উত্তর আফ্রিকার রাজনীতিতে ইসলামী দলগুলো প্রভাবশালী হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাদের ভূমিকা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। মিশর, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া এবং মরক্কো—এই চার দেশেই ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থা এবং রাষ্ট্রের নীতি ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। মিশরে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির শাসনামলে ইসলামী রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। ২০১৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার পর থেকে এর সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ফলে, ইসলামী দলগুলো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত এবং তাদের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসলামী রাজনীতির প্রতি নেতিবাচক মনোভাব স্পষ্ট, যা দেশের রাজনৈতিক বৈচিত্র্যকে সংকুচিত করেছে। একই সাথে ব্রাদারহুদের প্রতি সরকারের মনোভাব কখনো নমনীয় হবে বলে কোন ভাবেই মনে হচ্ছে না।
উত্তর আফ্রিকার আরেক দেশ তিউনিসিয়ায় ইসলামী রাজনৈতিক দল এনাহদা এক সময় তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও, বর্তমানে প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের একনায়কত্ব এবং দমন-পীড়নের মুখে চরম হুমকির মুখে পড়েছে। ২০২১ সালে সংসদ বাতিল ও ক্ষমতাসীন একক শাসন প্রতিষ্ঠার পর, আন-নাহদার নেতা রাশেদ ঘান্নৌচি এবং অন্যান্য নেতাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশটিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং ইসলামী রাজনীতির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলেছে।
আরব বসন্তের সময় ও পরবর্তীতে মরক্কোর জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (পিজেডি) বহু পর্যবেক্ষকের কাছে রাজনৈতিক ইসলামের একটি সফল ‘মডেল’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। অন্যান্য আরব দেশের ইসলামপন্থী দলগুলো যেখানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে পিজেডি দীর্ঘদিন রাজতন্ত্রের সঙ্গে কৌশলগত আপোশের মাধ্যমে ক্ষমতায় থেকে দেখিয়েছিল—রাজতান্ত্রিক কাঠামোর ভেতরেও সীমিত রাজনৈতিক স্পেস অর্জন সম্ভব।
তবে ২০২১ সালের নির্বাচনে পিজেডির বিপুল পরাজয় এই ‘মডেল’-এর স্থায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরও দলের জনসমর্থন তীব্রভাবে হ্রাস পায় এবং তারা ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়ে। জাস্টিস ও ডেভোলেপমেন্ট পার্টির ক্ষমতা হারানোর ফলে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ইসলামের উপর হুমকি সৃষ্টি হয়েছে।
আলজেরিয়ায় রাজনৈতিক ইসলামের চিত্র ২০২৫ সালে কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে, তবে এটি এখনও সীমিত এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন। দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ইসলামী রাজনৈতিক দলের ভূমিকা এখনও সীমিত। আলজেরিয়ায় ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে “ইসলামিক স্যালভেশন ফ্রন্ট” (FIS) অন্যতম। এই দলটি ১৯৯০-এর দশকে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, তবে ১৯৯২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটি নিষিদ্ধ হয়। বর্তমানে, FIS-এর কার্যক্রম সীমিত এবং এটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় নয়। বর্তমানে, “মুভমেন্ট অফ সোসাইটি ফর পিস” (MSP) এবং “এল-বিনা” (El-Binaa) সহ কিছু ইসলামী রাজনৈতিক দল আলজেরিয়ার জাতীয় জনগণের পরিষদে (Parliament) প্রতিনিধিত্ব করছে। তবে, এই দলগুলোর প্রভাব সীমিত এবং তারা সরকারের নীতিনির্ধারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে না। আলজেরিয়ার সরকার ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং তাদের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। ২০২৫ সালে, সরকার ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IsDB) গ্রুপের বার্ষিক সভা আলজিয়ার্সে আয়োজন করেছে, যা ইসলামী অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। এই ইভেন্টে ইসলামী অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা হয়েছে, যা সরকারের ইসলামী অর্থনীতির প্রতি আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডান সরকার ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, যা দেশটির রাজনৈতিক ইসলামের জন্য একটি বড় ধাক্কা। সরকারের দাবি, এই সংগঠনের সদস্যরা লেবাননে প্রশিক্ষণ নিয়ে জর্ডানে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তবে, মুসলিম ব্রাদারহুড এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং জাতীয় স্থিতিশীলতার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার পর, ইসলামী অ্যাকশন ফ্রন্ট (IAF), যা মুসলিম ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক শাখা, তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে, সরকারের দমন-পীড়ন ও নজরদারির কারণে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। উক্ত আইএএফ গত বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে ১৩৮ আসনের মধ্যে ৩১ আসনে বিজয়ী হয় এবং স্থানীয় নির্বাচনেও ব্যাপক সফলতা অর্জন করে।
মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ কুয়েতের আমির মিশাল আল-আহমাদ ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে, সরকার ইসলামী সংস্থাগুলোর আর্থিক কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি আরোপ করেছে, যার মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব সীমিত করার চেষ্টা চলছে। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে, ইসলামী সংস্থাগুলো মোট ৫০টি আসনের মধ্যে মাত্র ৯টি আসন পেয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক প্রভাবের সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে। অথচ এর আগের জাতীয় নির্বাচনে সম্মিলিত ইসলামী জোট সংসদের ৫০ আসনের মধ্যে ২৯ আসনই লাভ করেছিল।
মালয়েশিয়ায় ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রধান দল হলো Parti Islam Se-Malaysia (PAS)। এই দলটি মালয়েশিয়ার উত্তর ও পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে শক্তিশালী, বিশেষ করে Kelantan, Terengganu, Perlis, এবং Kedah রাজ্যে। ২০২২ সালের সাধারণ নির্বাচনে PAS ২২২টি আসনের মধ্যে ৪৩টি আসন লাভ করে, যা তাদের জাতীয় পর্যায়ে শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করে। বর্তমানে, PAS Perikatan Nasional (PN) জোটের অংশ হিসেবে Kelantan, Terengganu, Kedah, এবং Perlis রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। PAS ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে এবং শরিয়া আইন বাস্তবায়নের পক্ষে। তবে, ২০২৪ সালে Kelantan রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রণীত ১৬টি শরিয়া-ভিত্তিক অপরাধ আইনকে মালয়েশিয়ার ফেডারেল কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করে, যা PAS-এর জন্য একটি বড় ধাক্কা। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের পর PAS ও তার সমর্থকরা হতাশা প্রকাশ করেছে, তবে প্রধানমন্ত্রী Anwar Ibrahim এই রায়কে ফেডারেল আইনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে দেখেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী Anwar Ibrahim মালয়েশিয়ার বহুত্ববাদী সমাজ ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চান।
ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব গত কয়েক দশকে হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো মোট আসনের ৩০% এর কম পেয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক প্রভাবের সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে। তবে, ইসলামী দলগুলো রাষ্ট্রীয় নীতিতে ইসলামের মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। Partai Keadilan Sejahtera (PKS) দলটি ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে তারা বর্তমানে Pancasila (ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় আদর্শ) এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এই দলটি সামাজিক রক্ষণশীলতা ও ইসলামী অর্থনীতির পক্ষে। তবে, তাদের রাষ্ট্রীয় নীতিতে ইসলামের ভূমিকা সীমিত। Partai Bulan Bintang (PBB) ও Partai Dakwah Rakyat Indonesia (PDRI) মতো দলগুলোও ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে তাদের প্রভাব সীমিত এবং তারা রাষ্ট্রীয় নীতিতে ইসলামের ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য সংগ্রাম করছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট Prabowo Subianto ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চান। তবে, রাষ্ট্রীয় নীতিতে ইসলামের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
সবশেষে বলা যায় যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক ইসলাম এবং ইসলামী রাজনৈতিক দলের উদ্ভব, বিকাশ ও প্রভাব অত্যন্ত জটিল এবং প্রেক্ষাপটভিত্তিক। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদাহরণগুলো দেখায় যে, কোনো দেশে ইসলামী দলগুলো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, আবার অন্য দেশে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং দমন-পীড়নের কারণে তাদের কার্যক্রম সীমিত থাকে। নির্বাচনী ফলাফল, সামাজিক সমর্থন, রাষ্ট্রীয় নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ঐতিহ্যগত ও আধুনিক রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ—all মিলিয়ে রাজনৈতিক ইসলামের চিত্র গঠিত হয়। কখনও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও দমন-পীড়ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রভাব কমাতে সক্ষম হলেও, অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কৃতির সঙ্গে সমন্বয় করে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পথ খুঁজে পায়। এই বৈচিত্র্যময় চিত্র আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, রাজনৈতিক ইসলাম কেবল ধর্মীয় নীতি বা আদর্শ নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত একটি সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা।
একই সাথে উপরের আন্তর্জাতিক উদাহরণগুলো থেকে বোঝা যায় যে, রাজনৈতিক ইসলাম যদি গণতান্ত্রিক ও বহুত্ববাদী কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অংশগ্রহণ করে, তবে এটি রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোর অত্যধিক আধিপত্য বা রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন উভয়ই রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত এবং জনমতের বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি শিক্ষা দেয় যে, রাজনৈতিক ইসলামী দলগুলোকে সংবিধান, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত। এটি শুধু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে না, বরং সমাজে ঐক্য, শান্তি এবং উদারনৈতিক উন্নয়নেও সহায়তা করবে।
সুমন মাহমুদ
লেখক, গবেষক ও টিভি উপস্থাপক
যুক্তরাজ্য


