Home মতামত গাজার “শান্তি প্রক্রিয়ার” গন্তব্য কোথায়

গাজার “শান্তি প্রক্রিয়ার” গন্তব্য কোথায়

94
0

চোখ বন্ধ করুন আর ভাবুন, যদি ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে প্রতিদিন একজনের জন্যেও শোকের সমাধি বসাতে থাকেন, তবে শেষ মানুষটার জন্য শোক করতে ৩৮৮৭ সাল হয়ে যাবে। এতটা সময় লাগবে গাজার প্রতিটি প্রাণের জন্য শোক শেষ করতে। এই সময়ের মধ্যে শুধু আপনি নন, আপনার নাতি-পুতিদের দশম বংশধর মরে ধুলায় মিশে যাবে, কিন্তু তার পরেও গাজায় নিহতদের সমাহিত করা শেষ হবেনা। এসব কিছুই হচ্ছে একটা যুদ্ধের ফলাফল যা ইসরায়েল দাবী করে তার আত্ম-রক্ষার জন্য করেছে।  এটি শুধু সংখ্যা নয়; প্রতিটি হতাহত দেহের পেছনে রয়েছে  পোড়ানো, ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যাওয়া, চূর্ণ করে ফেলার এবং অখণ্ডতা হারানোর আলাদা আলাদা হৃদয়বিদারক কাহিনী। এমন কষ্টের আওয়াজ একসময় নীরব নয় বরং সেগুলো হাজার রকম ক্ষত জমিয়ে রাখে।  

আর ফিলিস্তিনিদের এমন ক্রান্তিকালে আমরা দেখেছি আরব বিশ্বের নেতারা মিশরে “শান্তি শীর্ষ সম্মেলন” করছেন। তার ব্যানারে বড় করে লেখা, “শান্তি ২০২৫”। কিন্তু ঐ সম্মেলনে ফিলিস্তিনিরা নেই; আলাপ-আলোচনার অংশ হতে দেয়া হয়নি। কল্পনা করুন: শান্তির ঘোষণাপত্রের সামনে বসা নেই সেই জাতির প্রতিনিধিরা যাদের জীবন ও ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হচ্ছে। এটা শুধু কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়, এটা নীরব এক উপেক্ষা।

ঘড়ির কাঁটা ঘুরলেও, সেই “শান্তি” ইতিমধ্যেই অদ্ভুতভাবে ভেঙে পড়েছে ইসরায়েলের ধারাবাহিক বোমা হামলা ও শান্তি লঙ্ঘনের কারণে। প্রশ্ন করি: কেন একটি দেশ, যেটি নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে কথিত আত্ম রক্ষার নামে, শান্তি ভংগ করছে নির্ধাধায়, তখন বিশ্ববাসী বিস্মিত হয়?  ইসরায়েল  এমন একটি মিথ্যা কাহিনীই সাজিয়েছিল ৪০টি শিশুর মাথা কাটা হয়েছে বলে দাবি করে, যা দিয়ে তারা নিজেদের কর্মকাণ্ড ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এখন সেই একই কাহিনীর ওপর ভর করে লোকেরা কিভাবে শান্তির প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রাখতে পারে?

কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা গেল, চুক্তি স্বাক্ষরের প্রথম মাসে ইসরায়েল কমপক্ষে একশোবারের বেশি তা লঙ্ঘন করেছে।  দু’শো মানুষকে হত্যা করেছে, হলুদ সীমা লঙ্ঘন করেছে, খাদ্য-জ্বালানির সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে এবং গাজার পুনর্নির্মাণে বাধা দিচ্ছে। গাজার বেসামরিক আবাসস্থল ধ্বংসের ধারা থামেনি। ১৭ অক্টোবর ২০২৫-এ হেব্রনের (আল-খালিল) দখলকৃত এলাকায় দশ বছর বয়সী মুহাম্মদ আল-হল্লাককে হত্যা করেছে ইসরায়েলী সেনারা। ১৯ অক্টোবর থেকে গাজায় বিশটি আকাশ হামলা চালানো হয়, এগুলো সবই তাদের দাবি অনুসারে “আত্ম রক্ষা”র অজুহাতে করা হয়েছে।     

ইসরায়েলের কাজ করার ধরণ একরকমই। প্রথমে চাপ বাড়ানো বা কমানো, তারপর গাজা-পশ্চিম তীরের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, আর প্রতিটি যুদ্ধ বিরতির দিনকে “উদার আস্থা” বলে ঘোষণা করা। তারপর চুক্তি ভাঙা, নিজের দেশের ভেতরে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা।  আর পরবর্তীতে এর প্রতিবাদে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে যা হয়তো একটি পাথর নিক্ষেপ বা একটি ক্ষুদ্র রকেট নিক্ষেপের মতো কিছু- নিজেদের পূর্বপরিকল্পিত ‘প্রতিহিংসা’কে ন্যায়সঙ্গত করার চেষ্টা করে নতুন করে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে। মার্চ ২০২৫-এর রমজান মাসেও একই প্যাটার্ন দেখা গিয়েছিল। জেনোসাইড থামার কোনো লক্ষণ নেই; এটি একদিকে সক্রিয়  হত্যাকাণ্ড, অন্যদিকে ক্রমশ জীবনের স্পৃহা ধমন করে দেয়া—দুইয়ের মধ্যে দোলাখেলার মতো চলছে।

পড়ুনঃ  রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ ঃ এ যুদ্ধ থামাবার কোন নৈতিক শক্তি কী বৃটেন ও আমেরিকার আছে?

১৯৬৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক জোরের কোনো কার্যকর শাস্তি না পাওয়ায় ইসরায়েলের দখল-বিস্তৃতি অব্যাহত আছে। এটি স্পষ্ট করে যে, নিজের লাগানো আগুনের জন্য ইসরায়েলকে কখনো জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবেনা। ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘ-স্থাপিত অস্ত্রবিরতির পর থেকেই ইসরায়েল একটি ধারাবাহিক পথে বেসামরিক অঞ্চল দখল করেছে। ১৯৬৭ সালে কোনো বাস্তব আক্রমণের হুমকি না থাকার পরও আচমকা ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর আক্রমণ শুরু করে। ১৯৮১-১৯৮২ সালের মধ্যে এরিয়েল  শারনসহ একাধিক কর্মকর্তা জাতিসংঘ-চুক্তি বারবার ভেঙে লেবাননে পিএলও-র বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যা ঘটিয়েছিল। এসব ইতিহাস শুধু পুরোনো অভিযোগ নয়—এগুলো আজকের ঘটনার পূর্বসূরি।    

ওসলো চুক্তির পরে ফিলিস্তিনিরা অস্ত্র নামিয়েছিল, কিন্তু ফল হয়েছে অধিক বসতি, আরো চেকপয়েন্ট, গুলিবিদ্ধ শিশু, পোড়া জলপাই গাছ, ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ি—এগুলোই নীরস্ত্রীকরণের বাস্তব ফলাফল। পূর্ণ আত্মসমর্পণ করলেও ইসরায়েলের ক্ষুধার জ্বালা মেটেনি।

২০০১ সালে ছয়-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি চলা কালে ইসরায়েল হামাসের শীর্ষ এক কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করে।  নয় দিন পরে এর প্রতিক্রিয়ায় জেরুজালেমে আত্মঘাতি হামলা ঘটে। ২০০৮ সালে যুদ্ধ বিরতি  ভেঙে ইসরায়েল ছয়জন হামাস কর্মকর্তাকে হত্যা করে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় রকেট হামলার অজুহাতে ‘অপারেশন কাস্ট লিড’ শুরু করে—ফলস্বরূপ এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক লোক, প্রাণ হারায়। ধরণ বদলায় না, প্রতিবারই একই পর্ব: যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘন, প্রতিক্রিয়া দেখা, তারপর বড় আকারের ধ্বংসাত্মক অভিযান চালানো।   

ওসলো চুক্তির পরে ফিলিস্তিনিরা অস্ত্র নামিয়েছিল, কিন্তু ফল হয়েছে অধিক বসতি, আরো চেকপয়েন্ট, গুলিবিদ্ধ শিশু, পোড়া জলপাই গাছ, ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ি—এগুলোই নীরস্ত্রীকরণের বাস্তব ফলাফল। পূর্ণ আত্মসমর্পণ করলেও ইসরায়েলের ক্ষুধার জ্বালা মেটেনি।

গত দুইবছরের পশ্চিম তীরের পরিসংখ্যানগুলো হৃদয়বিদারক: ২০০৫ থেকে রেকর্ড অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে  নিহত ৪৬৮ জন ফিলিস্তিনি শিশুর মধ্যে ২২৪ জনই গত দুই বছরে নিহত হয়েছে—এটা ভয়াবহ এক বাস্তবতা।  ২০২৪ সালে ইসরায়েল ২৪,২৫৮ ডুনাম ফিলিস্তিনি জমি জব্দ করেছে, ৫৯টি অবৈধ আউটপোস্ট গড়ে উঠেছে, এবং পূর্ব জেরুজালেমে ২১৫টি বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। একই বছরে সরকারি অনুমোদনে ২২টি নতুন অবৈধ বসতি, যা ওসলো চুক্তির সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন। এগুলো জাতিসংঘ-রেজল্যুশন ২৩৩৪ অনুসারে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।    

পড়ুনঃ  কে জিতবে? বিএনপি না জামায়াত?

এই কারণে ইসরায়েল শুধু মানুষ নয়, জীবনের মৌলিক অবকাঠামো, জলশোধনাগার, কৃষিজমি, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়—সবকিছুই ধ্বংস করে দেয়। “শান্তি” থাকা সত্ত্বেও গাজার কৃষিভূমি এখনও  ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে আট লাখের বেশি জলপাই গাছ লাগামহীনভাবে কাটা হয়েছে, এগুলো শুধু গাছ নয়, মানুষের জীবিকা ও সংস্কৃতির অংশ।

এখানে কষ্টের এক তীব্র ইতিহাস ছড়িয়ে আছে—ইহুদীদের বিরুদ্ধে ‘হামাসের গোপন সুরংগ’ নয়, বরং ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্বই কোনওভাবে হুমকির রূপ নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরায়েলীরা আমেরিকান ইতিহাসের  একটি  নৃশংশ অধ্যায় থেকে উদাহরণ নিয়েছে।  উত্তর আমেরিকার ৩০-৬০ মিলিয়ন মহিষ চড়ে বেড়াত।  মার্কিন সেনাবাহিনী  পরিকল্পিতভাবে এসব মহিষকে নিধন করেছে যাতে করে খাদ্য ঘাটতি আদিবাসী আমেরিকানদের অনাহারে আর অপুষ্টিতে নির্মূল করে দেয়।  এটি ছিল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উপর ইয়রোপীয়ানদের  চালানো পদ্ধতিগত গণহত্যা। ইতিহাসের এই দুঃখজনক  প্রতিফলন আমরা ফিলিস্তিনে দেখতে পাই। মহিষ নির্মূলের পর প্রজন্মকাল ধরে আদিবাসীদের গড় উচ্চতা, শৈশব মৃত্যুহার, আয়—সবকিছুতেই ঋণাত্মক প্রভাব পড়েছিল। সরাসরি হত্যা না করেও জীবনধারণের ক্ষমতা ধ্বংস করে রাষ্ট্রিক লক্ষ্য পূরণ করা যায়—এটাই বিচিত্র বাস্তবতা।

বহুজন চান বোমা হামলা বন্ধ হলে আমরা উৎসব করি; তারা চান আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি তাদের ‘রেশন’ বা খাবার পাবার জন্য কিংবা একধরনের কনসেনট্রেশন-ক্যাম্পের মতো শর্তে বেঁচে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। কিন্তু আমরা জানি, এমন “শান্তি” কখনোই প্রকৃত শান্তি হবে না। জাতিসংহার কখনো শান্তি এনে দেয় না—বলে রাখি, গণহত্যাকে ন্যায়সঙ্গত করার যুক্তি শিকারীর নন্দিত  সীমায় থেমে যায়। প্রতিটি নতুন শিশু, প্রতিটি জীবন্ত ফিলিস্তিনি, বারবার প্রমাণ করে—জাতিসংহার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। তাদের অস্তিত্বই প্রতিবাদ; এবং এই প্রতিবাদ কখনো নীরব হয় না।

ইসরায়েল গাজাকে সম্পূর্ণ কবরস্থ না করা পর্যন্ত, পশ্চিম তীরকে মুছে না ফেলা পর্যন্ত  থামবে বলে মনে হচ্ছে না। কিছু উদ্বেগজনক কথাও শোনা যায়— ইসরায়েলী অর্থমন্ত্রী বাজালেল স্মোত্রিচ বলছেন ফিলিস্তিনিদের তৃতীয় দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হবে; হেরিটেজ মন্ত্রী আমিচাই এলিয়াহু ঘোষণা করছেন,  “গাজার সবটাই ইহুদিদের হবে।” তাদের কথায় এটা স্পষ্ট, ভবিষ্যতে কি হবে  আগেভাগেই তার পরিকল্পনা ঠিক করে রাখা আছে। আর বিশ্ব? প্রত্যেক নতুন সীমালঙ্ঘন, প্রতিটি ভাঙা চুক্তি, প্রতিটি শিশুর মৃত্যুতে আমরা ভান করি খুব অবাক হয়েছি!

পড়ুনঃ  প্রবাসী ভোটাধিকার, পোস্টাল ব্যালট ও অপরাজনীতি

মূলতঃ “শান্তি প্রক্রিয়া” এখন হয়ে গেছে টুকরো-টুকরো প্রক্রিয়া, ফিলিস্তিনিরা ক্রমে জমি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অবশেষে শুধু কিছু রিজার্ভেশন বাকি থাকবে যেমনটি আমেরিকার আদিবাসীদের ভাগ্যে ঘটেছে। পশ্চিম তীরে বেড়া, সিনজিলের বেড়ি, জেনিন ও নাবলুসে দীর্ঘদিনের অবরোধ—এই ছবিগুলো স্পষ্ট জানায় যে স্বতন্ত্র জীবনযাপনের সুযোগ ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে।

কিন্তু সবকিছুর মাঝেও, গাজার মাটিতে রক্ত শুকায় না—যতক্ষণ পর্যন্ত সেই রক্ত শুকাবেনা,  ততক্ষণ পর্যন্ত “শান্তি” বলা সহজ নয়। যিনি সরাসরি নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের উপর ইসরায়েলী বর্বরতা দেখেছেন, এক জন ফিলিস্তিনি কিংবা যে কেউ এখনও চোখের সামনে বাস্তবতা দেখতে পারে, তাদের চোখে শান্তি কখনো আসবে না। চোখ বুজলেই আমি দেখি ছোট্ট ফিলিস্তিনি শিশুটি আহত মায়ের রক্ত মুছছে; আমার কানে বাজে একজন বাবার আহাজারির শব্দ যে তার শিশু সন্তানের  ছিন্ন-ভিন্ন দেহ প্লাস্টিক ব্যাগে সংগ্রহ করছেন সমাহিত করার জন্য। আমি অনুভব করি কিভাবে একটি জাতিকে মানবেতর করা হচ্ছে ঐসব মানুষদের দ্বারা যারা নিজদেরকে ইশ্বরের নির্বাচিত বলে দাবী করে। এই ছবি কোনো কাগজে লেখা শান্তি দিয়ে কখনোই ফিকে হয়ে যাবে না।    

ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার  শেষ হয়ে যেতে পারেনা বিশ্বের অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো। আপারথাইডকে ‘সমঝোতা’ বলে মুছে ফেলা যাবে না। প্রকৃত শান্তি হলো সমান অধিকার — নদী থেকে সাগর পর্যন্ত, সবার জন্য সমান সুযোগ। এটাই ইসরায়েলকে সবচেয়ে বেশি ভয় দেখায়।  

বহুজন চান বোমা হামলা বন্ধ হলে আমরা উৎসব করি; তারা চান আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি তাদের ‘রেশন’ বা খাবার পাবার জন্য কিংবা একধরনের কনসেনট্রেশন-ক্যাম্পের মতো শর্তে বেঁচে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি। কিন্তু আমরা জানি, এমন “শান্তি” কখনোই প্রকৃত শান্তি হবে না। জাতিসংহার কখনো শান্তি এনে দেয় না—বলে রাখি, গণহত্যাকে ন্যায়সঙ্গত করার যুক্তি শিকারীর নন্দিত  সীমায় থেমে যায়। প্রতিটি নতুন শিশু, প্রতিটি জীবন্ত ফিলিস্তিনি, বারবার প্রমাণ করে—জাতিসংহার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। তাদের অস্তিত্বই প্রতিবাদ; এবং এই প্রতিবাদ কখনো নীরব হয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here