সোমালিল্যান্ডে একজন উচ্চপদস্থ ইসরায়েলি কর্মকর্তার সাম্প্রতিক সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানসহ বেশ কিছু মুসলিম প্রধান দেশ এই সফরকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলি কর্মকর্তার এই সফরকে উস্কানিমূলক এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে দেখছে পাকিস্তান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের অনড় অবস্থানের ওপর আঘাত হানতে পারে।
উল্লেখ্য যে, সোমালিল্যান্ড নিজেকে স্বাধীন দেশ হিসেবে দাবি করলেও আন্তর্জাতিকভাবে এটি এখনও সোমালিয়ার অংশ হিসেবেই পরিচিত। ফলে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারও এই সফরকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। পাকিস্তানের পাশাপাশি অন্য কয়েকটি দেশও এই সফরকে প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে যে, তারা ইসরায়েলের এ ধরনের কোনো কূটনৈতিক তৎপরতাকে স্বীকৃতি দেবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার এবং নতুন মিত্র তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইসরায়েল এই সফরটি পরিচালনা করেছে। তবে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে সোমালিল্যান্ড এবং ইসরায়েলের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।





