সিলেট, ২১ জুন: সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের সরকারি সিদ্ধান্তের পর জেলার বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ, হতাশা ও প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।
সচেতন নাগরিকদের একাংশের মতে, ডিসি সারওয়ার আলম ছিলেন একজন সৎ, কর্মনিষ্ঠ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের কল্যাণ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সারওয়ার আলমের সততা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক আচরণ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসেবামূলক উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন অনেকে।
ডিসি সারওয়ার আলমের প্রত্যাহারের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন সবসময় হয় না। তবে মানুষের জন্য করা ভালো কাজ কখনো হারিয়ে যায় না এবং সময়ই তার প্রকৃত মূল্যায়ন করে।
প্রতিবাদকারীরা মনে করেন, সিলেটের উন্নয়ন ও জনস্বার্থে কাজ করা একজন কর্মকর্তার আকস্মিক প্রত্যাহার সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি করেছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মো. সারওয়ার আলম ২০২৫ সালে সিলেটের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন।
“ভালো থাকুন, ডিসি সারওয়ার আলম। আপনার সততা, নিষ্ঠা ও জনসেবার মানসিকতা সিলেটবাসীর হৃদয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে”—এমন মন্তব্য করেছেন অনেক নাগরিক।






